রসায়ন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
রসায়ন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান



গ্রুপ ⅦA মৌল সমূহের রসায়ন

হ্যালোজন

ক্লোরিন (Cl2), ফ্লোরিন (F2), ব্রোমিন (Br2), আয়োডিন (I2)- এই চারটি মৌলকে একত্রে হ্যালোজেন বলে।
হ্যালোজেনসমূহ দ্বিপরমাণুক অণু (X2) বিশিষ্ট অধাতব মৌল।
হ্যালোজেনসমূহের বেলায় ভ্যানডার ওয়ালস আকর্ষণ বলের ক্রম হল : F2<Cl2<Br2<I2
ক্লোরিন প্রস্তুতির সময় MnO2 এবং HCl ব্যবহার করা হয়।
হ্যালোজেন শব্দের অর্থ সামুদ্রিক লবণ উৎপাদক।
ফ্লুরিনের সাথে বিক্রিয়াকালে ধাতুসমূহ তাদের সর্বোচ্চ জারণ অবস্থা ব্যবহার করতে সক্ষম হয়।
ফ্লুরিনের ও ক্লোরিনের স্ট্যান্ডার্ড ইলেক্ট্রোড বিভব হল যথাক্রমে +2.87 ভোল্ট ও +1.33 ভোল্ট।
ক্লোরিনের বিরঞ্জন ক্রিয়ায় পানি অবশ্যই প্রয়োজন হয়।
অবিশুদ্ধ চিলি সল্ট পিটারকে ক্যালিচি




গ্রুপ- I ও গ্রুপ- II মৌলসমূহের রসায়ন

  • ক্ষার ধাতুগুলির সর্ব বহিঃস্থ স্তরে ১টি মাত্র ইলেক্ট্রন থাকে
  • মৃৎক্ষার ধাতুগুলির সর্ব বহিঃস্থ স্তরে ২টি ইলেক্ট্রন থাকে
  • ক্ষার ধাতুগুলির জারণ সংখ্যা +1
  • ক্ষার ধাতুসমূহের প্রধান বিশেষত্ব হচ্ছে- এরা খুবই নরম
  • গ্রুপ I(A) এর মৌলসমূহ ক্ষার ধাতু এবং গ্রুপ II(A) এর মৌলসমূহ মৃৎক্ষার ধাতু
  • পারমাণবিক সংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে ক্ষার ধাতুসমূহের ধাতব ব্যাসার্ধ ও আয়নিক ব্যাসার্ধ বাড়ে
  • সোডিয়াম ক্লোরাইডের গলনাংক- 819ᵒC
  • Na2­CO3-র জলীয় দ্রবণ ক্ষারধর্মী
  • একই শ্রেণীর উপর হতে ক্রমান্বয়ে নিচের দিকে অগ্রসর হলে আয়নিকরণ শক্তির মান কমে যায়
  • ব্রাইনের তড়িৎ বিশ্লেষণে অ্যানোডে ক্লোরিন এবং ক্যাথোডে হাইড্রোজেন উৎপন্ন হয়
  • গ্রুপ-II ধাতুর হাইড্




গ্রুপ-Ⅲ গ্রুপ-Ⅳ মৌল সমূহের রসায়ন

  • গ্রুপ III এর মৌলগুলোর সর্ববহিঃস্তরের ইলেক্ট্রন কাঠামো sp3
  • গ্লাস শিট সবুজাভ বর্ণের হয়
  • অ্যালুমিনিয়াম অক্সাইডের গলনাংক প্রায় 2050ᵒC
  • অ্যালুমিনিয়াম ক্লোরাইডের জলীয় দ্রবণ অম্লধর্মী
  • Ge একটি অর্ধধাতু
  • ধাতুর অক্সাইডগুলি সাধারণত ক্ষারকীয়
  • কার্বন (C) এবং টিন (Sn) বহুরূপতা প্রদর্শন করে
  • SiO2-কে কাইজেল গুড় বলে
  • পারমুটিটের সাহায্যে পানির স্থায়ী খরতা দূর করা হয়
  • সিলিকন বিদ্যুৎ অপরিবাহী
  • সিলিকন অর্ধ-পরিবাহী




মৌলসমূহের পর্যায়ভিত্তিক ধর্ম

গ্যাসীয় অবস্থায় কোন মৌলের একটি বিচ্ছিন্ন পরমাণু থেকে সবচেয়ে শিথিলভাবে যুক্ত ইলেক্ট্রনকে অসীম দূরত্বে সরিয়ে নিতে যে পরিমাণ শক্তির প্রয়োজন হয়, তাকে সেই মৌলের আয়নীকরণ শক্তি বলে
আয়নীকরণ শক্তিকে I.P. দ্বারা প্রকাশ করা হয় এবং এর একক কিলোজুল (KJ)
মৌলসমূহের ভৌত ও রাসায়নিক ধর্মাবলী তাদের ইলেক্ট্রন বিন্যাসের উপর নির্ভরশীল
সালফারের অণু বিশুদ্ধ সমযোজী প্রকৃতির
সিলিকন একটি অর্ধধাতু এবং SiCl4 একটি পোলার সমযোজী যৌগ
ক্লোরিন (Cl2) অণু বিশুদ্ধ সমযোজী
দুটি মৌলের ইলেক্ট্রোনেগেটিভিটির পার্থক্য মধ্যম ধরনের হলে এদের যৌগসমূহের পোলার সমযোজী যৌগ হয়। যেমন- H2O, HCl
ক্ষার ধাতু ও মৃৎক্ষার ধাতুসমূহের ক্ষেত্রে সক্রিয়তা নিম্নরূপ-


রাসায়নিক গতিবিদ্যা

Posted by Md. Mamunur Rashid On 0 মন্তব্য(গুলি)



রাসায়নিক গতিবিদ্যা

যে বিক্রিয়ার হার একটি মাত্র বিক্রিয়কের ঘনমাত্রার প্রথম ঘাতের সমানুপাতিক হয় তাকে প্রথম ক্রম বিক্রিয়া বলে
প্রথম ক্রম বিক্রিয়ার বৈশিষ্ট্য :
১. প্রথম ক্রম বিক্রিয়া কখনো শেষ হয় না
২. এ বিক্রিয়ার একটি নির্দিষ্ট ভগ্নাংশ সম্পূর্ণ হওয়ার সময় বিক্রিয়কের প্রারম্ভিক ঘনমাত্রার উপর নির্ভর করে না
৩. ঘনমাত্রার এককের উপর এই জাতীয় বিক্রিয়ার হার ধ্রুবক নির্ভরশীল নয়

যে বিক্রিয়ার হার একটি মাত্র বিক্রিয়কের ঘনমাত্রার বর্গের বা দ্বিতীয় ঘাতের সমানুপাতিক হয় তাকে দ্বিতীয় ক্রম বিক্রিয়া বলে
দ্বিতীয় ক্রম বিক্রিয়ার উদাহরণ-
১. নাইট্রোজেন পার-অক্সাইডের তাপীয় বিয়োজন : 2NO2 → 2NO+O2
২. নাইট্রাস অক্সাইডের তাপীয় বিয়োজন : 2N2O → 2NO+N2
৩. হাইড্রোজেন আয়োডাইডের তাপীয় বিয়োজন : 2HI → H2+I2
৪. ওজোনের বিয়োজন : 2O3 → 3O2
৫. বেনজেলডিহাইডের বেনজয়িকে রূপান্তর : 2C6H5CHO → C6H5CH(OH)COC6H5
৬. হাইড্রোজেন ও ইথিলিনের মিলন :H2+C2H4 → C2H6


তড়িৎ রাসায়নিক কোষ

Posted by Md. Mamunur Rashid On 0 মন্তব্য(গুলি)



তড়িৎ রাসায়নিক কোষ

বাহ্যিক বর্তনীর মধ্য দিয়ে ইলেক্ট্রন প্রবাহ যে দিকে যাবে, তড়িৎপ্রবাহ তার বিপরীত দিকে যাবে
গ্যালভানিক সেলে যে তড়িৎদ্বারে জারণ হয়, তা ঋণাত্মক তড়িৎদ্বার এবং একে অ্যানোড বলে
যে তড়িৎদ্বারে বিজারণ হয় তা ধনাত্মক তড়িৎদ্বার এবং একে ক্যাথোড বলে
প্রাথমিক কোষ ২ প্রকার-
১. এক তরল কোষ, যেমন- লেকল্যান্স কোষ
২. দুই তরল কোষ, যেমন- ডেনিয়েল কোষ

গ্যালভানিক সেলের প্রকৃষ্ট উদাহরণ- ডেনিয়েল সেল
কোষের প্রতিটি তড়িৎদ্বার ও তড়িৎ বিশ্লেষ্য যুগলকে অর্ধকোষ বলে
প্রমাণ তড়িৎদ্বার বিভবকে প্রমাণ তড়িৎদ্বার বিজারণ বিভবও বলে
সামগ্রিক কোষের বিভব বা পটেনশিয়াল ধনাত্মক হয়, তবে বিক্রিয়াটি স্বতঃস্ফূর্ত হবে
কোন দ্রবণের অম্লত্ব বা pH মাপার সহজতম পদ্ধতি হচ্ছে pH মিটার ব্যবহার করা
শুষ্ক কোষে বিদ্যুৎ উত্তেজক হিসেবে NH4Cl এর পেস্ট এবং ছদন নিবারক হিসেবে কঠিন MnO2 ব্যবহৃত হয়
তড়িৎদ্বারে বিভবের মান নির্ণয়ের সময় কোষে ব্যবহৃত সকল তড়িৎদ্বারের শর্তসমূহ সমান হতে হয়। যেমন-
১. রাসায়নিক কোষে 1 molar দ্রবণ নিতে হয়




তড়িৎ পরিবাহিতা ও তড়িৎ বিশ্লেষণ

তড়িৎ পরিবহন ক্ষমতার উপর নির্ভর করে পদার্থকে প্রধানত ৩টি শ্রেণীতে ভাগ করা যায়-
১. সুপরিবাহী
২. কুপরিবাহী
৩. অপরিবাহী

তড়িৎ পরিবহনের পদ্ধতির উপর নির্ভর করে তড়িৎ পরিবাহীকে প্রধানত ২টি শ্রেণীতে ভাগ করা যায়-
১. ইলেক্ট্রনীয় বা ধাতব পরিবাহী (তড়িৎ অবিশ্লেষ্য)
২. ইলেক্ট্রোলাইটিক বা তড়িৎ বিশ্লেষ্য পরিবাহী

যে সকল পদার্থের মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ চলাচল করতে পারে, তারা বিদ্যুৎ পরিবাহী। যেমন- লোহা, তামা, পারদ, রূপা, সোনা ইত্যাদি ধাতু এবং গলিত লবণ বা এসিড, ক্ষার ও লবণের দ্রবণ।
যে সকল পদার্থের মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ চলাচল করতে পারে না, তারা বিদ্যুৎ অপরিবাহী। যেমন- কাঁচ, কাঠ, রাবার, চিনি, গন্ধক, পেট্রোল, তারপিন তেল, ইত্যাদি
সকল আয়নিক যৌগ এবং কিছু পোলার সম




অম্ল-ক্ষারক সাম্যবস্থা

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য :
  • কোন অম্ল থেকে একটি প্রোটন অপসারণের ফলে যে ক্ষারক সৃষ্টি হয়, তাকে সে অম্লের অনুবন্ধী ক্ষারক বলে।
  • কোন ক্ষারকের সাথে একটি প্রোটন সংযোগের ফলে যে অম্লের সৃষ্টি হয়, তাকে সে ক্ষারকের অনুবন্ধী অম্ল বলে।
  • তীব্র অম্লের অনুবন্ধী ক্ষারক দুর্বল এবং দুর্বল অম্লের অনুবন্ধী ক্ষারক তীব্র।
  • তীব্র ক্ষারকের অনুবন্ধী অম্ল দুর্বল এবং দুর্বল ক্ষারকের অনুবন্ধী অম্ল তীব্র।
  • ব্রনস্টেড ও লাউরী (১৯২৩) মতবাদ অনুসারে- এসিড প্রোটন দান করে এবং ক্ষারক প্রোটন গ্রহণ করে।
  • যদি কোন যৌগের জলীয় দ্রবণ লাল লিটমাসকে নীল করে, তবে তা ক্ষারক এবং নীল লিটমাসকে লাল করলে তা অম্ল। আর লিটমাসে কোন পরিবর্তন না হলে তা নিরপেক্ষ যৌগ।
  • যে এসিড একটি মাত্র প্রোটন দেয়, তাকে মনোপ্রোটিভ এসিড বলে। যেমন-
  • HCl → H+ + Cl- ; HCl মনোপ্রোটিভ এসিড




রাসায়নিক বিক্রিয়ায় তাপের রূপান্তর

সাধারণ তথ্য :
  • রাসায়নিক পরিবর্তনে পদার্থের অণুসমূহের উপাদান ও অণুর গঠন প্রকৃতির স্থায়ী পরিবর্তন ঘটে।
  • প্রকৃতপক্ষে সব রাসায়নিক পরিবর্তনে তাপ শক্তির পরিবর্তন ঘটে।
  • ভৌত পরিবর্তনের ফলে পদার্থের বাহ্যিক অবস্থার পরিবর্তন ঘটে, এর ফলে নতুন কোন অণুর সৃষ্টি হয় না।

        v.            তাপোৎপাদী বিক্রিয়া :
 যে রাসায়নিক পরিবর্তনের ফলে তাপ শক্তি উৎপন্ন হয় এবং বিক্রিয়া অঞ্চলের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়     তাকে তাপোৎপাদী বিক্রিয়া বলে। যেমন-

N2 + 3H2 = 2NH3 + তাপ (92.38 কিলোজুল মোল-1)
2SO2 + O2 = 2SO3 + তাপ (189.12 কিলোজুল মোল-1)
C + O2 = CO2 + তাপ (393.5 কিলোজুল মোল-1)


রাসায়নিক বন্ধন

Posted by Md. Mamunur Rashid On 0 মন্তব্য(গুলি)



রাসায়নিক বন্ধন

বিভিন্ন অণুতে পরমাণুসমূহ যে আকর্ষণী বলের সাহায্যে পরস্পরের সাথে যুক্ত থাকে, তাকে রাসায়নিক বন্ধন বলে।

        v.            গঠনের প্রকৃতির উপর নির্ভর করে রাসায়নিক বন্ধন প্রধানত ৪ প্রকার-
 ১. তড়িৎযোজী বা আয়নিক বন্ধন (Electrovalent or Ionic bond)
 ২. সমযোজী বা সহযোজী বন্ধন (Covalent bond)
 ৩. সন্নিবেশ বন্ধন (Co-ordinated covalent bond)
 ৪. ধাতব বন্ধন (Metallic bond)

        v.            পদার্থের অণুগুলো পরস্পর যে বল দ্বারা যুক্ত হয়ে বিভিন্ন ভৌত কাঠামো গঠন করে তাকে আন্তঃআণবিক আকর্ষণ বল বলে। এ আন্তঃআণবিক আকর্ষণ বলের রূপ বিভিন্ন রকম হতে পারে-
 ১. ডাইপোল-ডাইপোল আকর্ষণ বল
 ২. ভ্যান্ডার ওয়ালস আকর্ষণ বল
 ৩. হাইড্রোজেন বন্ধন, ইত্যাদি


জারন-বিজারণ

Posted by Md. Mamunur Rashid On 0 মন্তব্য(গুলি)



জারন-বিজারণ

বিশেষ ভাবে মনে রাখতে হবে
  • জারণ :
  ১. e- এর অপসারণ
  ২. ধনাত্মক চার্জ ↑
  ৩. ঋণাত্মক চার্জ ↓
  ৪. যোজ্যতা বৃদ্ধি ↑

  • বিজারণ :
   ১. e- এর সংযোজন
   ২. ধনাত্মক চার্জ ↓
   ৩. ঋণাত্মক চার্জ ↑
   ৪. যোজ্যতা হ্রাস ↓


রাসায়নিক গণনা

Posted by Md. Mamunur Rashid On 0 মন্তব্য(গুলি)



রাসায়নিক গণনা

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও সংজ্ঞা:
  • যৌগের যে কোন মৌলের শতকরা পরিমাণ =
  • 1 amn = 1.66056×10-24g
  • স্থূল সংকেত যৌগের অণুতে বিদ্যমান বিভিন্ন মৌলের পরমাণু সংখ্যার ক্ষুদ্রতম অনুপাত প্রকাশ করে
  • আণবিক সংকেত = n× স্থূল সংকেত
  • অ্যাভোগ্যাড্রোর সংখ্যা, N = 6.023×1023


পর্যায় সারণী

Posted by Md. Mamunur Rashid On 0 মন্তব্য(গুলি)

পর্যায় সারণী

একই ধরনের ধর্মবিশিষ্ট মৌলসমূহকে একই শ্রেণীভুক্ত করে, আবিষ্কৃত সব মৌলকে স্থান দিয়ে মৌলসমূহহের যে সারণী বর্তমানে প্রচলিত, তাকে মৌলের পর্যায় সারণী বলে।

বিজ্ঞানী মেন্ডেলিফ’কে পর্যায় সারণীর জনক বলে।
পর্যায় সূত্র আবিষ্কার করেন মেন্ডেলিফ।

নিউল্যান্ডের অষ্টক সূত্র : ১৮৬৪ সালে ইংরেজ বিজ্ঞানী জন নিউল্যান্ডস লক্ষ্য করেন, ‘মৌলসমূহকে তাদের পারমাণবিক ভরের ক্রম অনুসারে সাজালে দেখা যায়, যে কোন মৌল থেকেই শুরু করে অষ্টম মৌলে ভৌত ও রাসায়নিক ধর্মের পুনরাবৃত্তি করে।’ সঙ্গীতের স্বরলিপির সাতটি স্তরের পুনরাবৃ্ত্তির (সা রে গা মা পা ধা নি সা) সঙ্গে মিল দেখে নিউল্যান্ডস এ সূত্রের নাম দেন অষ্টক সূত্র।


গ্রুপ 1A- H Li Na K Rb Cs Fr
হে লি না কে রুবি সাজাবে ফ্রান্সে
গ্রুপ 2A- Be Mg Ca Sr Ba Ra
বিধবা মায়ের ক্যাডার সন্তান বাদশাহ রহিম
অথবা- বিরিয়ানি মোগলাই কাবাব সরিয়ে বাটিতে রাখ
অথবা- বিধবা মহিলা কা সার বাসনে রাধে
গ্রুপ 3A- B Al Ga In Ti
বরুন অল্পতেই গেল ইন্ডিয়া তে


আজকের ক্লাসে আমরা স্থূল সংকেত,আণবিক সংকেত, % সংযুক্তি,মোল,অ্যাভোগেড্রো সংখ্যা,মোলার আয়তন সম্পর্কে ধারণা এবং ঘনমাত্রা প্রকাশের বিভিন্ন পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করব
https://www.youtube.com/watch?feature=player_embedded&v=kugHKgcMicQ


এইচ.এস.সি রসায়ন কোর্স

Posted by Md. Mamunur Rashid On 0 মন্তব্য(গুলি)

কোর্সের সংক্ষিপ্ত বর্ণনা:

উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণীতে রসায়ন খুব গুরুত্বপুর্ণ একটি সাবজেক্ট। এটি ভালভাবে আয়ত্ত করা উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য যেমন গুরুত্বপুর্ণ তারচেয়ে বেশি গুরুত্বপুর্ণ ভবিষ্যতে বিভিন্ন উচ্চশিক্ষার প্রতিষ্ঠানে নিজের জায়গা করে নেয়া এবং সেখানেও পড়াশুনায় রসায়নের বেসিক অত্যন্ত গুরুত্বপুর্ণ।কিন্তু বেশিরভাগ শিক্ষার্থী রসায়নকে অনেক কঠিন মনে করে অবহেলা করে থাকে যা পরবর্তীতে তাদের জন্য বিরাট কুফল বয়ে আনে।কারণ উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে রসায়নের বেসিক ক্লিয়ার করে না নিলে পরবর্তীতে সে গ্যাপ আর পূরণ করা যায়না।


Blogger দ্বারা পরিচালিত.

Ads

Social Icons

Featured Posts